আনন্দধারা নৃত্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দুই স্তম্ভ আনন্দ নন্দী ও কৃষ্ণেন্দু রাণার যুগ্ম প্রচেষ্টায় এক ধ্রুপদী মহল গড়ে ওঠে

এই বাংলা 24:-কলকাতায় ১৯৩৪ সালে অনুষ্ঠিত অল বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সের প্রথম অধিবেশনের প্রতিবেদনে ধুর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় লেখেন: Probably the audience in the Senate House became acquainted with the classic dances of the South for the first time.The writer had seen some line demonstrations of the art of dancing as practiced in the South, But he confesses that he had never seen anything approaching the standard of Miss Bala Saraswaty and Mr. Sankaran Nambudri. Their exhibition was a revelation to Bengal. This idea of bringing them to Calcutta was excellent.

এক সময় বিভিন্ন গুরুদের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় এবং কিছু কিছু নৃত্য শিক্ষায়তন বাংলা তথা কলকাতায় ধ্রুপদী নৃত্যর্চার যে বীজ বোপণ করেছিলেন এখন তা প্রায় একটি আন্দোলনের রূপ নিয়েছে।

অসংখ্য ছাত্রছাত্রী বর্তমানে ধ্রুপদী নৃত্যচর্চায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন এবং কেউ কেউ সর্বভারতীয় ভিত্তিতে বিশেষ দক্ষতা প্রদর্শনেও সক্ষম হচ্ছেন।সবশেষে বাংলায় এই নৃত্য আন্দোলনে যার অবদান সর্বাপেক্ষা অধিক তার নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথের আগ্রহ উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণায় শান্তিনিকেতন তথা সারা বাংলায় ধ্রুপদী নৃত্যের এত পরিচিত এত চর্চা। এ জন্য যে অসহনীয় যন্ত্রণা তাকে ভোগ করতে হয়েছিল সে আর এক ইতিহাস।

সেই ইতিহাস কে সাক্ষী রেখে গতকাল হাওড়া শরৎসদন ১নম্বর প্রেক্ষাগৃহে আনন্দধারা নৃত্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দুই স্তম্ভ আনন্দ নন্দী ও কৃষ্ণেন্দু রাণার যুগ্ম প্রচেষ্টায় তেমনি এক ধ্রুপদী মহল গড়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে দৃষ্টিনন্দন ও শ্রুতিমধুর উপস্থাপনা সমগ্র দর্শকদের নজর কাড়ে।সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দীপান্বিতা ভট্টাচার্য।
চিত্র ঋণ:-শুভ সেনগুপ্ত
