অভিষেকের উদ্যোগে, বৃহ*ন্নলার তত্ত্বাবধানে মানসিক ভার*সাম্য*হীন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা জন্ম দিল পুত্র সন্তান

এই বাংলা 24:-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই এটা সম্ভব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে দীক্ষিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেখালেন এক মানবিক মুখ।বজবজ স্টেশন মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলা ও তার মা সামান্য প্ল্যাস্টিক খাটিয়ে দিনযাপন করেন।কোনোমতে ভিক্ষা করে পেট ভরানোর চেষ্টা করেন,কখনো আধ পেটা। সমাজের লোলুপ দৃষ্টিতে সেই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা অন্তঃসত্ত্বা হন। এদিকে বজবজ স্টেশনে এক বৃহন্নলা কুনাল দলুই তিনিও ওই চত্বরে ভিক্ষা করেন। হঠাৎ দেখেন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা নগ্ন অবস্থায় যন্ত্রণায় ছটফট করছেন।দেখে বুঝতে পারেন মহিলা অন্তঃসত্ত্বা। বৃহন্নলা কুনাল সঙ্গে সঙ্গে তাকে পোষাক পড়িয়ে যোগাযোগ করেন স্থানীয় পৌর প্রতিনিধি কৌশিক রায়ের সাথে। কৌশিক বাবু ও কুনালের তত্ত্বাবধানে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, পরিচয় পত্র লাগবে।তখন কিছু করার নেই দেখে কৌশিক বাবু যোগাযোগ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে।তখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বৃহন্নলা র পরিচয়পত্রে ভর্তি হন ওই মহিলা।তবে তিনি তিনদিন কোনো সন্তান প্রসব করেননি।পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বজবজ পৌর হাসপাতালে ভর্তি হলে, সেখানে সে পুত্র সন্তান প্রসব করেন।প্রথম থেকেই পোশাক পরিয়ে সেবা শুশ্রূষা করা থেকে শুরু করে হাসপাতালে নিয়ে আসা বৃহন্নলার কাছেই আপাতত রয়েছে ওই সদ্যোজাত-সহ মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাটি। পাশাপাশি ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা এবং তাঁর মায়ের থাকার জন্যও অস্থায়ী একটি ঘরেরও ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে কাউন্সিলর কৌশিক রায়ের উদ্যোগে। প্রসঙ্গত, উল্লেখ্য ওই মহিলার চিকিৎসার জন্য যাবতীয় খরচ নিজে থেকেই গ্রহণ করেছিলেন বজবজ পৌরসভার চেয়ারম্যান গৌতম দাশগুপ্ত। বজবজ পৌরসভার কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন মা এবং সদ্যোজাত দুজনেই সুস্থ রয়েছে।
সংগৃহিত
