কলকাতার মেট্রোর উদাসীনতা,হাতলে লেগে হাত থেকে অঝোরে রক্ত,নেই ফাস্ট এইড,চরম হয়রানির স্বীকার বৃদ্ধের

এই বাংলা 24:-আজ সকাল ১০.৩০ নাগাদ হাওড়া ময়দান মেট্রো হয়ে ভায়া ধর্মতলা থেকে গড়িয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী শমিত ঘোষ তার আশি বছরের বৃদ্ধ বাবা শ্যামাপদ ঘোষ কে নিয়ে। কিন্তু ধর্মতলা মেট্রোর চলমান সিঁড়ির গার্ড রেলের হাতলের থেঁতলানো অংশে হাত লেগে কেটে যায় বৃদ্ধ শ্যামাপদ ঘোষের অঝোরে রক্ত পড়তে থাকে।শমিত ঘোষ মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে ফার্স্ট এইড করার কথা বলতে,তারা জানান সেই ব্যবস্থা নেই। রক্ত বন্ধ করার দাওয়াই হিসেবে রেল কর্মীরা জানান যে বাইরে সরবৎ বিক্রি হচ্ছে সেখান থেকে বরফ নিয়ে এসে হাতে লাগানোর পরামর্শ দেন,তাতে রক্ত বন্ধ হয়ে যাবে।

এই বাংলা 24 এর মুখোমুখি হয়ে শমিত ঘোষ জানান যে,”৮০ বছর বয়স্ক মানুষ (আমার বাবা) মেট্রোর চলমান সিঁড়ির খোঁতলানো হাতলে লেগে হাতের আঙুলে কেটে রক্তরক্তি (সেলাই করতে হয়), কিন্তু সবচেয়ে মারাত্মক নিন্দার যেটা, সেটা হলো ধর্মতলা মেট্রো স্টেশনে কোনও ফার্স্ট এড ব্যবস্থা নেই।একাধিক রেল কর্মীদের বলতে তারা বলল, ওপরে রাস্তায় সরবৎ বিক্রেতাদের কাছ থেকে বরফ নিয়ে লাগান, রক্ত বন্ধ হবে। যাইহোক ঐ অবস্থায় আঙুলে রুমাল চেপে গড়িয়া পৌঁছে চিকিৎসা করালাম বাবার। কি ভয়ানক অবস্থা রেল মন্ত্রকের। ছিঃ ছিঃ।
অনেক বড় দুর্ঘটনার থেকে আজ বাবা রেহাই পেলো। চলমান সিঁড়ি থেকে উল্টো হয়ে পড়ে যাচ্ছিল বাবা, হাতের আঘাত লাগার পর, খুব জোর ধরে ফেলেছিলাম। বাবা ভালো আছেন।”
উল্লেখ্য গড়িয়ায় নেমে শমিত ঘোষ তার বাবার চিকিৎসা করান,জানা গেছে ওই ক্ষতে সেলাই করতে হয়েছে।
