১২১ টি পুরসভার মধ্যে ৬৮/৬৯ মতন পুরসভায় এগিয়ে বিজেপি,কার ব্য*র্থতা?তদন্তে টিম অভিষেক

এই বাংলা 24:- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতি সক্রিয়তা অনেকের কাছে অবাক ব্যাপার।কারণ লোকসভায় বিগত দশ বছরে এমন সক্রিয়তা কেউ দেখেনি। কারণ দলের যেখানে সকলে আনন্দে মাতোয়ারা, সেখানে অভিষেক কিন্তু বজ্রের মতো কঠিন।কারণ লোকসভার ফলাফলের নিরিখে রাজ্যের ১২১ টি পুরসভার মধ্যে ৬৮/৬৯ মতন পুরসভায় এগিয়ে বিজেপি,২টি তে কংগ্রেস আর বাদবাকি ৫১ টি এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। এনিয়ে বেশ চিন্তিত দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। কানাঘুষা শোনা যাচ্ছে,যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেভাবে লক্ষী ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী,রূপশ্রী, বিবেকানন্দ স্কলারশিপ সহ যে সমস্ত জনমুখী প্রকল্প এনেছেন,যা মধ্যবিত্ত পরিবারের ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে অনেক স্বস্তি জনক।তা সত্ত্বেও কেনো এই পরাজয় বা পিছিয়ে থাকা। দলের রাজ্য স্তরের পুরাতন নেতার বক্তব্য অনুযায়ী,যে ভাবে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তোলাবাজি চলছে, বিশেষতঃ অনেক কাউন্সিলরের মদতে বা চোখের সামনে যেভাবে সাধারণ মানুষ, প্রোমোটার দের ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়া হচ্ছে,তারপরে মানুষ কে মানুষ জ্ঞান না করা,পাড়ার কিছু উঠতি ছেলে যারা নিজেদের নেতা বলে, তাদের ঔদ্ধত্য, ব্যবহার খারাপ, মানুষের কাছে না পৌঁছানো আরো ক্ষতি করছে।
আবার এও শোনা যায় যে, যেসকল পুরসভার কোনো প্রতিনিধি নেই, সেখানে প্রশাসনিক বোর্ড থাকা সত্ত্বেও অনেক ওয়ার্ডে তাদের ওয়ার্ড সভাপতি ছড়ি ঘোরাচ্ছে। এমনকি সেই ওয়ার্ড সভাপতির ঘনিষ্ঠ বাহিনী রীতিমত তোলা তোলে কোথাও কোথাও,আবার সেই ওয়ার্ডের মহিলা বাহিনীর একাংশের কোনো দাবী পূরণ না হলে,সেই ব্যক্তি কে ভয় দেখায় চাকরি খেয়ে নেওয়ার। এরকম বহু ঘটনা ঘটে চলেছে।এসব নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খুব চিন্তিত।তাই পুরসভা গুলো একক পর্যালোচনা শুরু হচ্ছে।তাতে কার ব্যর্থতা,কার মদতে এসব ঘটছে? কাউন্সিলর ?ওয়ার্ড সভাপতি?নাকি এলাকার তথাকথিত নেতা নেত্রী?সেই নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে তদন্ত চলছে।
