কলকাতাজাতীয়জেলারাজনীতিরাজ্য

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরা মানুষের আন্দোলন কিভাবে সামলেছেন তার অতি সামান্য নমুনা

এই বাংলা 24:-পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরা মানুষের আন্দোলন কিভাবে সামলেছেন তার অতি সামান্য নমুনা।

প্রফুল্ল ঘোষ : পশ্চিমবঙ্গ নিরাপত্তা আইন এর প্রতিবাদে মিছিলে গুলি চলে। মৃত্যু ১, আহত ৫০ গ্রেপ্তার ১০২। ১৯৪৭ এর ডিসেম্বরে।

ডা. বিধান রায়:১৯৫১ সালের ২১ এ এপ্রিল কোচবিহারে ভূখামিছিলের ওপর গুলি। ৫ জন নিহত ৪০ জন আহত।১৯৪৯ সালে মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির মিছিলের ওপর পুলিশের গুলি। ৪ মহিলাকে হত্যা । লতিকা সেন, প্রতিভা রায়চৌধুরী, গীতা সরকার, অমিয়া দত্ত।১৯৫৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষকদের বিধানসভা অভিযানে পুলিশের গুলিতে ৪ জনের মৃত্যু ৬৫ জন আহত ৪০০ জন গ্রেফতার ১৯৫৮ সালের খাদ্য আন্দোলন থামাতে সৈন্যবাহিনী নামান মুখ্যমন্ত্রী।

প্রফুল্ল সেন:১৯৬৬, ১৭ ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত নুরুল ইসলাম

অজয় মুখার্জী:১৯৬৭, ২৫ মে নক্সালবাড়ি আন্দোলনে পুলিশের গুলি। ধনেশ্বরী দেবী, ফুলমতি দেবী, নয়নেশ্বরী মল্লিক, সোনামতী সিং, সীমাশ্বরী মল্লিক ( সকলেই আদিবাসী মহিলা) সুর্বালা বর্মণ ( রাজবংশী মহিলা), গ্রৌদাউ সাইরানি ও সোমেশ্বরী সাইরানি ( মেচ মহিলা), খারসিং মল্লিক ( আদিবাসী যুবক)। ঐ সময় আরও ৬ জন পুলিশের গুলিতে মারা যান। ত্রিবেণী কানু, শোভন আলি, বরকা মাঝি বাকিদের নাম জানা যায়নি।

সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়:১৯৭৫, ২৫ জুন কার্জন পার্কে নাটক বন্ধ করতে গুলি। প্রবীর দত্তের মৃত্যু। বরানগরে সহ বহু জায়গায় নকশাল দমনে সিপিএমের সাহায্যে অসংখ্য গুপ্তহত্যা।

জ্যোতি বসু–মরিচঝাঁপি ( ৩০০ এর বেশি মানুষের মৃত্যু) আনন্দমার্গী নিধন, বানতলা (অনিতা দেওয়ান) , ধানতলা, ২১ শে জুলাই ১৩ জন ইত্যাদি সহ অসংখ্য ঘটনা।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য–সিঙ্গুর (তাপসী মালিক),নন্দীগ্রাম ( মৃত্যু অন্ততঃ ১৪),নেতাই সহ বহু ঘটনা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : বার কয়েক নবান্ন সহ বেশ কয়েকটি আন্দোলন বিক্ষোভ হয়েছে পূর্বসূরীদের থেকে অনেক অনেক ভালোভাবে সামলাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিশেষ করে মহিলা মৃত্যু খেয়াল করুন।সেই জন্যেই কি ‘ মমতার পদত্যাগ’ খুব জরুরি হয়ে উঠেছে?(সংগৃহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *