সারারাত রাস্তায় ডাক্তার রা,প্রত্যেকের অধিকার বললেন অভিষেক,রাতে কা*ন্নায় ভে*ঙ্গে পড়লেন সন্দীপ

(চিকিৎসক ও অভিনেতা ডাঃ কিঞ্জল নন্দ)
এই বাংলা 24:-সোমবার ডাক্তারদের লালবাজার অভিযান মাঝপথেই বন্ধ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের অনেক আগেই বসানো হয় ব্যারিকেড। শান্তির মিছিলেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা, তবে তাতে বাধা আসলে ডাক দেওয়া হয় ধর্নার। বিকেল থেকেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন জুনিয়র ডাক্তাররা। উপস্থিত ছিলেন চিকিৎসক অভিনেতা কিঞ্জল নন্দও। তিনি সামান্য কিছু মুহূর্তের জন্য লাইভেও আসেন।জুনিয়ার ডাক্তারদের উৎসাহে একচুলও ভাটা পড়েনি। মধ্যরাতেও তাঁরা সোচ্চার নিজেদের দাবিতে। পুলিশ বিরোধী স্লোগান চলছে তখনও। রব উঠছে, ‘পুলিশ তোমার ডিএ বাকি, চটি কিনে দেব নাকি’। এমনকী ‘হায় হায়’ রবও ওঠে কলকাতা পুলিশের নামে।রাতেই কিঞ্জল ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন, ‘আমরা সবাই সারারাত লালবাজার এর সামনে থাকছি। সকালে সমস্ত সাধারণ মানুষকে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। এই শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হোন… লড়াইটা আমাদের সবার।’
https://www.facebook.com/share/v/TRKXefhNsqdS8wEH/?mibextid=oFDknk

এদিকে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বেশ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এরপরেই বেশ কড়া ভাষায় দলের অবস্থান স্পষ্ট করে’ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি সরাসরি কোন নাম লেখেননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘দল নির্বিশেষে জনপ্রতিনিধিদের আরও নম্র এবং সহানুভূতিশীল হতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যেকের কাছে আমার আর্জি যে তাঁরা যেন স্বাস্থ্য সমাজ বা নাগরিক সমাজের কারও বিরুদ্ধে কোন রকম বিরূপ মন্তব্য না করেন। প্রত্যেকের প্রতিবাদ এবং মতপ্রকাশের অধিকার আছে। প্রত্যেকের প্রতিবাদ এবং মতপ্রকাশের অধিকার আছে আর এই বিষয়টাই বিজেপি-শাসিত রাজ্যের থেকে বাংলাকে স্বতন্ত্র করে তোলে। আমরা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে ‘বুলডোজার’ মডেল এবং গণতন্ত্রকে দমিয়ে রাখার রাজনৈতিক কৌশলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি।”

এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় গ্রেফতার হন আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। এতদিন তাকে ভেঙ্গে পড়তে দেখা যায় নি, কিন্তু গতকাল রাতে সিজিও থেকে নিজামে আনার সময় সন্দীপ ঘোষ কার্যত ভেঙ্গে পড়েন। সিজিওতেই দফতরে বসে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সন্দীপ রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়েন বলেও সূত্রের খবর। রাস্তায় জিগ্যেস করা হলে মাথা নিচু করে গাড়ির মধ্যে সিবিআই আধিকারিকদের মাঝে বসে ছিলেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ।
