চন্দ্রবাবু কে ঘায়েল করতে বিজেপি চালছে মোক্ষম চাল!!

(ডি.পুরুন্দেশ্বরী ও চন্দ্রবাবু নাইডু)
এই বাংলা 24:-এবারের লোকসভায় বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় বাদে এরকম হলো।২০১৪ ও ২০১৯ সালে বৃহৎ জনমত নিয়ে সরকার গঠন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেক্ষেত্রে এনডিএ থাকলেও বিজেপি একক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেক বেশি আসন পেয়েছিল।তবে এবারের নির্বাচনে ২৪০ থামতে হয়েছে বিজেপি কে যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ৩২ টি আসন কম। এক্ষেত্রে এনডিএ শরিক নির্ভর হতে হয়েছে নরেন্দ্র মোদি কে। তিনি এতদিন ধরে নিজের নামের ঢ্যাড়া পেটাতেন,মোদি সরকার বলে,এবারে সেটা ইচ্ছা থাকলেও করতে পারেননি।এবারে তিনি তার বক্তব্যে এনডিএ সরকার বলে চলেছেন। এদিকে এনডিএ এর বড় শরিক তেলেগু দেশম পার্টির চন্দ্রবাবু নাইডু এবং জনতা দল ইউনাইটেডের নীতিশ কুমার ঘোলা জলে মাছ ধরতে লেগেছেন। নীতিশ কুমারের রেল সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক দাবী ছিল,যা কার্যত খারিজ হয়ে গেছে। এদিকে চন্দ্রবাবু নাইডু মন্ত্রীত্ব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাচ্ছেন না,তার দরকার অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য বিশেষ প্যাকেজ এবং লোকসভার স্পিকার পদ। নীতিশ কুমারের মতো এক্ষেত্রেও বিজেপি রাজি নয়। চন্দ্রবাবু কে ঘায়েল করতে বিজেপি মাঠে নেমে পড়েছে।বিগ ফোর মন্ত্রকের মতোই স্পিকার পদ অন্য দলকে ছাড়তে নারাজ বিজেপি। বিজেপি স্পিকার পদে এগিয়ে রাখছে ডি পুরন্দেশ্বরী। বিজেপির অন্ধ্র সভাপতি। তেলুগু সিনেমা ও রাজনীতির লেজেন্ড এন টি রামা রাওয়ের কন্যা। আবার চন্দ্রবাবু নাইডুও এন টি আরের জামাই। অর্থাৎ এখন তেলেগু দেশমের পারিবারিক নাটক জাতীয় রাজনীতির সরকার গঠনের অন্দরেও জোরদার ছায়া ফেলছে। তবে সমস্যা মেটাতে বিজেপি পুরনো স্পিকার ওম বিড়লা অথবা বিজেডি থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া ওড়িশার সাংসদ ভ্রাতৃহরি মেহতাবের নামও প্রস্তাব করতে পারে।
চিত্র:-সংগৃহীত
