হাওড়া ক্ষীরের তলায় শ্রী শ্রী কল্যাণেশ্বর শিব মন্দির কমিটির “আমরা কজন” উদ্যোগে অম্বুবাচী ফলাহার প্রদান

এই বাংলা 24:- ‘কিসের বার কিসের তিথি, আষাঢ়ের সাত তারিখ অম্বুবাচী।’ এদিন থেকেই হয় অম্বুবাচী শুরু। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, সূর্য যে বারের যে সময়ে মিথুন রাশিতে গমন করেন, তার পরবর্তী সেই বারের সেই কালে অম্বুবাচী হয়। অর্থাৎ, পৃথিবী এই সময়ে ঋতুমতী হন বলে কথিত।ঐতিহাসিক দিক থেকে দেখতে গেলে এই অম্বুবাচীর সঙ্গে কৃষিকাজের সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভাবে জড়িত রয়েছে । গ্রীষ্মের প্রখর তাপ প্রবাহের পর শুষ্ক ধরিত্রী কে বর্ষার জলসিঞ্চন এর মাধ্যমে উর্বর করার জন্য কিছুদিন বিশ্রাম প্রদান করা হয়। মৃত্তিকা হয়ে ওঠে উর্বর । উর্বর মৃত্তিকাই প্রদান করতে পারে উৎকৃষ্ট মানের ফসলের। শুধু ঐতিহাসিক নয় তান্ত্রিক মতে ও এই ধারণাই মান্যতা পায়। তবুও লোক বিশ্বাসে বিধবা রা বিশেষতঃ বাংলায় নিয়ম পালন করে আসেন যুগ যুগ ধরে।



গতকাল অম্বুবাচী শুরু উপলক্ষে বিধবা মায়েদের ফলাহার ও ছাতা উপহার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় শ্রী শ্রী কল্যাণেশ্বর শিব মন্দির কমিটির “আমরা কজন” উদ্যোগে হাওড়া ক্ষীরের তলায় উপস্থিত ছিলেন হাওড়া প্রেস ক্লাবের সহ সভাপতি দ্বয় শৈবাল বসু ও বাণীব্রত কাড়ার, হাওড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার পাল, হাওড়া প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক সৌরভ সিংহ এবং সদস্য পঞ্চানন ঘোষাল।প্রায় শতাধিক মায়েদের হাতে উপহার তুলে দেওয়া হয়।


