কলকাতাজেলারাজ্যহাওড়া

লেডিস স্পেশাল বাস উদ্বোধনে স্নেহাশিস, এদিকে উত্তর হাওড়ার পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে,এ নিয়ে সরব সাংবাদিক সুজিত কুমার পাল

এই বাংলা 24:- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী ছিলেন তখন ওনার জনমুখী বাজেটে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছিলেন। ওনার জনমুখী বাজেটের অন্যতম সিদ্ধান্ত ছিল লেডিস স্পেশাল ট্রেন।সেইসময় বামফ্রন্ট সরকারের সদস্যরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেছিলেন,অনেকে আবার বলেছিলেন গিমিক। কিন্তু বর্তমানে এর সংখ্যা অনেক সারা ভারতবর্ষ ব্যাপী। বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন যেমন লক্ষী ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী সহ বহু প্রকল্প যা মহিলাদের উপকারে এসেছে। তেমনি এক প্রকল্প শুরু করলেন গতকাল রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হাওড়া স্টেশন থেকে শুরু হলো লেডিস স্পেশাল বাস। স্নেহাশিস চক্রবর্তী পরিবহন দপ্তরের মন্ত্রী হ‌ওয়ার পর অনেক কাজের গতি এসেছে। তিনি সচেষ্ট মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিতে।তার বক্তব্য যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথ তার কাছে আদর্শ।

এদিন উদ্বোধনে এসে তিনি জানান, ‘রোজ সকাল ৯:৩০ টায় হাওড়া থেকে মহিলা স্পেশ্যাল বাস চলবে বালিগঞ্জের উদ্দেশ্যে। বাসটি পার্ক স্ট্রিট, এলগিন রোড, রাসবিহারী হয়ে বালিগঞ্জ পৌঁছাবে। বিকেল ৫:৩০ টায় বাসটি আবার বালিগঞ্জ থেকে একই রুটে হাওড়ার উদ্দেশ্যে আসবে।’

তবে উল্লেখ্য স্নেহাশিস চক্রবর্তী র গোচরে অনেক কিছু নেই।যেমন উত্তর হাওড়ার সহ তার সংলগ্ন এলাকার পরিবহন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা তথা হাওড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার পাল বলেন,”একমাত্র ধর্মতলা মিনি ছাড়া কোনোরকম বাস পরিষেবা নেই,রাতে বেলায় শিয়ালদহ থেকে কোনো বাস নেই,আসতে হলে ভেঙে আসতে হয়, এদিকে দাসনগর,রামরাজাতলা, ময়দান সর্বত্র বাস আছে, কিন্তু উত্তর হাওড়ায় নেই।আগে ২৪ নম্বর বাস চলতো,বাঁধাঘাট থেকে শিয়ালদহ, কিন্তু বর্তমানে সেটা একটা দুটো চলে,মালিপাঁচঘরা মিনি আছে,যা সন্ধ্যা সাতটা সাড়ে সাতটার পর পাওয়া যায় না, এদিকে ভেঙে আসলে অটোর দৌরাত্ম্য, হাওড়া স্টেশনে অটো সন্ধ্যার পর মাথা পিছু ভাড়া বাড়িয়ে দেয়,বারো টাকার ভাড়া পনেরো কখনো কুড়ি হয়ে যায়, এদিকে হাওড়া থেকে সালকিয়া দেড় কিলোমিটারের মতো,আরটিও কে জানিয়ে কোনো লাভ হয়নি, তিনি উদাসীন, এছাড়া কোনো,জগদীশপুর,বালি ইত্যাদি জায়গার যাওয়া বা ফেরার উপায় থাকে না রাত্রি আটটার পর, তখন চলে টোটোর দৌরাত্ম্য তারা যথেষ্টাচ্ছার ভাবে ভাড়া নেয়, এদিকে ট্র্যাফিক সম্পূর্ণ উদাসীন তাদের বলেও কোনো কাজ হয়না,হাওড়া শহরে কোনো সরকারি বাস পরিষেবা নেই, মানুষ বাধ্য হচ্ছে টোটো অটোর দৌরাত্ম্যে নতি স্বীকার করতে”। তিনি এছাড়া আরো অনেক অভিযোগ করেন উত্তর হাওড়ার পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে। তিনি এও আশা রাখেন যে বর্তমান মন্ত্রী অনেক কিছু করতে সচেষ্ট, বিষয়গুলো অবগত হয়ে যদি কিছু সুরাহা করেন।

চিত্র:-স্নেহাশিস চক্রবর্তীর ফেসবুক পেজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *