জেলারাজ্যহাওড়া

হাওড়ায় ৩৩লক্ষ টাকার প্রতারণা,রাজ্য সাইবার সেল উইং এর তদন্তে গ্রেফতার মূল দুই অভিযুক্ত

রাজ্য পুলিশের সাইবার সেল, সাউথ জোনের ডিআইজি অঞ্জলি সিং

এই বাংলা 24:-গত ১০ফেব্রুয়ারী মানস কুমার দাস নামে হাওড়া নিবাসী জনৈক ভদ্রলোক, হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার থানায় অভিযোগ জানান যে, মেডিকেল পলিসি পেমেন্ট ডিউ এর একটি মেল আসার কদিন পরেই অজানা নম্বর থেকে মানসবাবুকে ফোনে যোগাযোগ করে বলা হয় আর কিছু টাকা দিলে পূর্বে দেওয়া সব টাকা ফেরত পাবেন। এইভাবে প্রতারক মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে ধাপে ধাপে মানস বাবুর থেকে মোট ৩৩,০৩,৭৮৬ /- টাকা আত্মসাৎ করে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার থানা তদন্তে নামে এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনপুট এবং সরকারি পোর্টাল কে কাজে লাগিয়ে দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে বিধাননগরের সাপুর্জী হাউজিং কমপ্লেক্স থেকে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করে। প্রতারকদের থেকে উদ্ধার হয় :১.বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ১৩ টি ডেবিট কার্ড।২. সিম কার্ড ৩৮ টি।৩. মোবাইল ফোন ৫ টি।৪. নগদ ৩,১৭,০০০/-টাকা।৫. দুইটি চারচাকা গাড়ি। ৬. ব্যাঙ্ক সম্পর্কিত কাগজপত্র।গতকাল শিবপুর পুলিশ লাইনে রাজ্য পুলিশের সাইবার সেল, সাউথ জোনের ডিআইজি অঞ্জলি সিং এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, হাওড়ার এক ব্যবসায়ীর খোয়া যাওয়া ৩৩ লক্ষ ১৭ হাজার টাকার মামলায় পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে।অপরাধীরা অপরাধের ধরন বদলেছে। এখন বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে মানুষের টাকা হাতাচ্ছে। যাতে তাদের ফাঁদে সাধারণ মানুষ না পড়েন তার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি হেল্প লাইন খোলা হয়েছে। যার নম্বর ১৯৩০।যদি প্রতারণার শিকার কেউ হন, তখন সঙ্গে সঙ্গে এই ফোন নম্বরে ফোন করলে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাঙ্কে খবর দিয়ে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘যত তাড়াতাড়ি পুলিশ খবর পাবে তত তাড়াতাড়ি ওই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব হবে এবং খোয়া যাওয়া টাকা দ্রুত উদ্ধার সম্ভব হবে।’এ দিন তিনি ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের কোনও ব্যক্তিগত তথ্য মোবাইলে শেয়ার করতে বারণ করেন। শনিবার অঞ্জলি সিং জানিয়েছেন, আগেই হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার ক্রাইম সেল এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পরে এই মামলার তদন্তের ভার নেয় নিউ টাউনের রাজ্য সাইবার সেল উইং।

আধিকারিকরা তদন্ত নেমে জানতে পারেন ওই ঘটনার পিছনে নিউ টাউন হাউজিং কমপ্লেক্সের দুই বাসিন্দা সুশীলকুমার জেনা এবং প্রণবকুমার ভোই আছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনপুট এবং সরকারি পোর্টাল কে কাজে লাগিয়ে দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে বিধাননগরের সাপুর্জী হাউজিং কমপ্লেক্স থেকে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করে। প্রতারকদের থেকে উদ্ধার হয় :১.বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ১৩ টি ডেবিট কার্ড।২. সিম কার্ড ৩৮ টি।৩. মোবাইল ফোন ৫ টি।৪. নগদ ৩,১৭,০০০/-টাকা।৫. দুইটি চারচাকা গাড়ি। ৬. ব্যাঙ্ক সম্পর্কিত কাগজপত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *