বর্ণময় কল্যাণ,আজো মানুষের কল্যাণে

এই বাংলা 24:-সময়টা ছিল সত্তর দশকের শেষের দিকে,রাজ্যে হয় পালাবদল। ক্ষমতায় আসে জ্যোতি বসু নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার।ঘরে ঘরে তখন কংগ্রেসী দের ওপর অত্যাচার। শহরাঞ্চলে যত না হয়েছে,তার চেয়ে হয়েছে গ্রামে মফস্বলে। তেমনি এক কেন্দ্র তার নাম ডোমজুড়। এখানকার কংগ্রেসী বিধায়ক ছিলেন কৃষ্ণপদ রায়। কিন্তু পালাবদলে বিধায়ক হন সিপিআইএম নেতা জয়কেশ মুখার্জি। সেইসময় আজন্ম কংগ্রেস করা নিপাট ভদ্রলোক সুকুমার ঘোষ, একদিন আক্রান্ত হন সিপিআইএমের ঠ্যাঙারে বাহিনীর হাতে। সাইকেলের চেন দিয়ে তাকে ক্ষতবিক্ষত করা হয়,তার অপরাধ ছিল তিনি করতেন কংগ্রেস।এই অত্যাচারের ফলে বেঁচে মরে গেলেন সুকুমার ঘোষ।কারণ অত্যাচারের ট্রমা না নিতে পেরে,তিনি হয়ে গেলেন মানসিক রোগী।তার এই দুর্দশা মেনে নিতে পারেননি তার মেধাবী সন্তান কল্যাণ ঘোষ।বাবার প্রতি ঘটে যাওয়া অকথ্য অত্যাচারে নামলেন পথে।নাম লেখালেন রাজনীতিতে।মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলেন রাজনৈতিক ভাবে প্রতিশোধ তুলবেন। ঠিক এই সময় বাংলার রাজনীতিতে এক চারা গাছ বপন হয়ে গেছে,সেই চারা গাছের নাম মমতা। আপোষহীন সংগ্রামী।যাকে পরবর্তীতে বর্ষীয়ান সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্ত “অগ্নিকন্যা” আখ্যা দেন। এদিকে কল্যাণ ঘোষের উত্থান রীতিমতো চোখে পড়ার মতো, রাজনীতিতে এসে সকলের নজরে পড়ে যান তিনি।১৯৭৮ সালে ডোমজুড় বিধানসভা অন্তর্গত শলপ অঞ্চলে যুব কংগ্রেসের সভাপতি দায়িত্ব পান,১৯৮০ অবধি সেই দায়িত্ব বজায় থাকে।তারপরে ১৯৮০ সালে তার কর্মনিপুণতায় ডোমজুড় ব্লক ছাত্র পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পান।এই দায়িত্বে একটানা পাঁচ বছর ছিলেন। সেইসময় ১৯৮৪ সালে যাদবপুর কেন্দ্রে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় কে হারিয়ে সেই চারা গাছ ধীরে ধীরে ডালপালা বিস্তার করতে থাকে। এদিকে ডোমজুড় জুড়ে ধীরে ধীরে হতে থাকে কল্যাণময়।কারণ মিতভাষী এই মানুষটি ওই অঞ্চলে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করছেন।ধীরে ধীরে কল্যাণ ঘোষের উত্থান,ডোমজুড় ব্লক কংগ্রেস সেবাদলের সভাপতি,তারপরে ডোমজুড় ব্লক কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক।আর সেই সময়কালে সেই চারা গাছ ‘মমতা’ বৃক্ষে পরিণত হয়ে ওঠে,১৯৯১ সালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিআইএম ঠ্যাঙারে বাহিনীর হাতে আক্রান্ত হন।গুরুতর আহত, সংজ্ঞাহীন।মাথা ফেটে অঝোরে রক্ত পড়ছে,চারিদিকে অশান্ত। কিন্তু সিপিআইএমের নিষ্ঠুরতায় কেউ সাহস পাননি তেমনভাবে আন্দোলন করতে। কিন্তু সেইসময় কল্যাণ ঘোষ ডোমজুড়ের বুকে আন্দোলন সংগঠিত করেছিলেন।একা এগিয়ে এসেছিলেন কিছু দলবল নিয়ে,সেই সময় অনেক কংগ্রেসী পিছিয়ে গিয়েছিল। তারপর ১৯৯৩ সালে কংগ্রেসের টিকিটে লড়লেন পঞ্চায়েত সমিতি,জিতেই বিরোধী দলনেতা হলেন পঞ্চায়েত সমিতির।একটানা ২০০৭ অবধি ছিলেন এই পদে।মাঝে শুধু ১৯৯৮ সালে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে আসেন।লড়াই শুরু হলো বাইরে ও প্রশাসনিক স্তরে।২০০৬ সালে মোহন্ত চট্টোপাধ্যায় মন্ত্রী হলেন বামফ্রন্টের অর্থাৎ সিপিআইএম প্রতীকে জিতে। তিনি তখন ছিলেন হাওড়া জিলা পরিষদের সভাধিপতি,তার আসন শূণ্য হয়।সেই আসনে ২০০৭ সালে উপনির্বাচন হয়।চারা গাছ এখন বটবৃক্ষ হয়েছে,সেই বটবৃক্ষের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তার পছন্দ প্রার্থী হন কল্যাণ ঘোষ। তিনি ভোটে দাঁড়ান এবং উপনির্বাচনে জয়ী হন। উল্লেখ্য সেইসময় এই উপনির্বাচনে প্রচারে এসেছিলেন সদ্য প্রয়াত তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কিন্তু সিপিআইএমের অত্যাচার এমন পর্যায়ে ছিল যে সেইসময় কল্যাণ ঘোষ ঘর থেকে বেরোতে পারেননি। তিনি তার বাড়ির বাইরে একটি মাইক লাগিয়ে ঘরে বসে বক্তৃতা করে প্রচার করেন। আবার ২০০৮ পঞ্চায়েত সমিতি ছিনিয়ে নেন সিপিআইএমের থেকে,সহ সভাপতি হন পঞ্চায়েত সমিতির,২০১৩ অবধি সেই পদে আসীন ছিলেন।এই সময়কালে বাঁকড়া স্কুলে নির্বাচন হয়,সেইসময় তার বুকে ক্ষুর মারে সিপিআইএমের ঠ্যাঙারে বাহিনী,যার দাগ আজো বুকে নিয়ে চলেছেন।আবার ২০১৩ সালে জিলা পরিষদ, সেখানে এবারে পূর্ত ও পরিবহন কর্মাধ্যক্ষ সহ পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হন। কিন্তু ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলের কিছু মানুষের ষড়যন্ত্রে হেরে যান, কিন্তু তার কর্মনিপুণতায় তাকে তৎকালীন জিলা পরিষদের মেন্টর করা হয়।সে দায়িত্ব যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেন। এতদিনে সেই বটবৃক্ষ মহীরুহে পরিণত হয়েছে ২০১১ সাল থেকে,সেই মহীরুহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আদর্শ জ্ঞানে জীবন বাজি রেখে লড়াই করে এসেছেন চিরকাল,যখন ২০১৯ এর পর ডামাডোলে ২০২০ শেষের দিক থেকে ২০২১ সাল অবধি তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার হিড়িক আসে।প্রায় একশো জন নেতা, বিধায়ক,সাংসদ মন্ত্রী বিজেপি তে নাম লেখাতে শুরু করে। সেইসময় দলনেত্রী অন্তর প্রাণ কল্যাণ ঘোষ দাঁতে দাঁত চেপে তৃণমূল কংগ্রেসে থেকে লড়াই চালিয়ে যেতে থাকলেন।কারণ লড়াই এক, শুধু সামনের প্রতিপক্ষ আলাদা। এতদিন ছিল সিপিআইএম,২০১৯ থেকে প্রতিপক্ষের নাম বিজেপি।তার কর্মনিপুণতায় কিছু মানুষের বিরোধীতা থাকা সত্ত্বেও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার তত্ত্বাবধানে চলা ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস সহ আইপ্যাকের পছন্দের তালিকায় থাকা কল্যাণ ঘোষ ২০২১ সালে ডোমজুড় কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে লড়াই করেন।তার প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন ২০১১ সাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে জেতা রাজ্যের দুবারের মন্ত্রী সদ্য বিজেপি তে নাম লেখানো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিকুল পরিস্থিতি,প্রতিকুল আবহাওয়া, শুধু মাত্র দলনেত্রীর উন্নয়ন এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক চিন্তা ও প্রেডিকশন ও কল্যাণ ঘোষের নিজের লড়াইয়ের জীবন, সবমিলিয়ে জয় ছিনিয়ে নিতে সময় লাগলোনা।২০২১ তৃণমূল কংগ্রেসের জয়জয়কার আর ডোমজুড়েও জোড়া ফুলের ঘনঘটা। এতদিনের লড়াই ও সংগ্রামী জীবনের স্বীকৃতি পেলেন কল্যাণ ঘোষ।হলেন ডোমজুড় কেন্দ্রের বিধায়ক।বিধায়ক হওয়ার উদ্যোগ নিলেন জনসেবা করার।আসলে মেধাবী এই মানুষটি একাধারে কলা বিদ্যা ও বাণিজ্য বিদ্যায় স্নাতক। পড়াশোনা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাজনৈতিক পরিমণ্ডল ও পরিস্থিতি দুটোই সম্ভবপর হয়নি,তাই বিধায়ক হয়ে উদ্যোগ নিলেন আগামী-র অভিষেক 4.0″ – Free JEE And NEET Coaching এই প্রকল্পটি সমাজে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের সহযোগিতা করার জন্য শুরু করা হয়েছিল এবং বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ প্রতিশ্রুতি পালনের একটি পদক্ষেপ। বর্তমানে JEE এবং NEET এর প্রস্তুতি-তে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রস্তুতি ক্লাস এবং অধ্যয়ন সামগ্রীর জন্য প্রায় ১.২ লাখ টাকা খরচ পড়ে। এই চ্যালেঞ্জ স্বীকার করে,প্রকল্পটি সমাজে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে JEE এবং NEET কোচিং প্রদান করে। ২০২১ সালে এই প্রকল্পশুরু করার পর শেষ ৩ বছরে আমরা ৩৫০ জন শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে কোচিং,স্টাডি মেটেরিয়াল এবং মক টেস্ট প্রদান করেছে।এইপরীক্ষাগুলিতে পাশ করার পরে,শিক্ষার্থীরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা প্রস্তুত করা “ স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ড” স্কিমটি লাভকরতে পারে, যা গ্রামীণ পশ্চিমবঙ্গ থেকে অনেক ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে প্রোগ্রাম থেকে অনেক শিক্ষার্থী এন আর এস মেডিক্যাল কলেজ, নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজ, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ,গৌরী দেবী মেডিক্যাল কলেজ, আই আইটি খড়গপুর, এনআইট দূর্গাপুর, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়,আইআইএসটি শিবপুর, কল্যাণী গভ:ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,জলপাইগুড়ি গভ: ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ, শ্রীরামপুর গভ: ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গভ:সিরামিক কলেজের মতো নামী প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পান।

এছাড়া বিধায়ক হয়ে চিন্তা ভাবনা ছিল একটি বিনামূল্যে “মমতাময়ী স্বাস্থ্য ক্লিনিক” তৈরি করা যেখানে সমস্ত দরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে ডাক্তারের পরামর্শ পাবেন।ডোমজুড় বিধানসভা অন্তর্গত ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৫টি করে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্লিনিক রাখার উদ্দেশ্য। প্রতিটি ক্লিনিকে তিনজন চিকিৎসক ও দুজন থাকবেন ডাক্তারের সহকারী এবং সাথে সাথে বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করবেন সমস্ত রোগীর জন্য প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে।সপ্তাহে পাঁচ দিন ক্লিনিক খোলা থাকবে।সাফল্যের গল্প: বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ সফলভাবে ডোমজুরে ৩টি মমতাময়ী স্বাস্থ্য ক্লিনিক খুলেছেন তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতে যথাক্রমে সলপ,বাঁকড়া,সাপুইপাড়া।এই মমতাময়ী স্বাস্থ্য ক্লিনিকগুলি ২০২১ সাল থেকে চালু হয়েছে। বিধায়ক হিসেবে কল্যাণ ঘোষ যে সাম্মানিক পান,তা তিনি নেন না,সমস্তটা ব্যয় করেন,অর্থ প্রদান করবেন এই ক্লিনিকের ডাক্তার এবং অন্যান্য অচিকিৎসা কর্মীদের সম্মানিক প্রদানে। সঙ্গে বিনামূল্যে পঞ্চায়েত স্তরে ডাক্তারের পরামর্শ, দরিদ্ররা সময়মত চিকিৎসা পরামর্শ পেতে পারে, গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধ এবং হাসপাতালে ভর্তি হ্রাস।এই উদ্যোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাবঞ্চিতদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য, বিশেষ করে উপকারী শিশুদের এবং গ্রামের মহিলারা।এটি জরুরি অবস্থার সময় প্রাথমিক যত্ন প্রদান করে। কল্যাণ ঘোষ আগামী বছরগুলিতে আরও ১২টি মমতাময়ী ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার জন্য জোর কদমে উদ্যোগ নিচ্ছেন।এছাড়াও তিনি উদ্যোগ নিয়েছেন শিখা প্রদীপ যোজনা বিনামূল্যে কম্পিউটার দক্ষতা উন্নয়ন। বিধায়ক কল্যাণ ঘোষের অন্যতম অসাধারণ উদ্যোগ।এলাকার চাকরীমুখী শিক্ষার্থীদের জন্য এই উদ্যোগ।জাতীয় কম্পিউটার সাক্ষরতার সাথে সহযোগিতায় মিশন (NSCM),বিশেষ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত এই প্রকল্পে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শিবির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে,যারা আছে অন্তত অষ্টম শ্রেণী পাস।এই বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কভার ডাটা এন্ট্রি, কম্পিউটারের মৌলিক বিষয়,বাংলা টাইপিং ,এইচটিএমএল,এমএস অফিস (এক্সেল, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট),এবং টাইপিং প্রশিক্ষক দিয়ে টাইপ শেখানো। ফলে এই প্রশিক্ষণে সম্পূর্ণ করলে, সুবিধা হবে উদীয়মান আইটি সেক্টর এবং সম্পর্কিত চাকরি পাওয়া ডোমজুড় ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে শিল্প।তিন মাসের প্রশিক্ষণ, জাতীয় থেকে একটি শংসাপত্র কম্পিউটার লিটারেসি মিশনে পুরস্কৃত করা হয়।প্রোগ্রামটি প্রতি তিন মাস অন্তর পরিচালিত হয়, এবং প্রতিটি ব্যাচে প্রায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।দক্ষতা শিল্প আজ পর্যন্ত, চারটি ব্যাচ সফলভাবে হয়েছে সার্টিফিকেশন সম্পূর্ণ করেছে, মোট ৫০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী।অনেক ঘাত প্রতিঘাত পাওয়া এই মানুষটি আজো তার আদর্শ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রাম শীল।বহু ষড়যন্ত্র কে উপেক্ষা করে দলের হাওড়া সদরের সভাপতি,বহু কুৎসা কে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে,বুকে ক্ষুরের দাগ নিয়ে মাথা উঁচু করে মানুষের সেবা করে চলেছেন সংগ্রামী কল্যাণ ঘোষ।
