জাতীয়জেলারাজনীতিরাজ্য

পার্থক্য ছিল,পার্থক্য আছে,পার্থক্য থাকবে(সৌরভ সিংহ)

এই বাংলা 24:-

সৌরভ সিংহ

১৯৮২ জানুয়ারীতে এবিজেডিএফ-এর প্রথম কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের কাছে দাবীপত্র পেশ করা হয়েছিল। সরকার এবিজেডিএফ সংগঠনকেই মানতে অস্বীকার করে।কিছুদিন পর পাব্লিক সার্ভিস কমিশনের চাকরী দিতে অক্ষমতার জন্য ‘রিগ্রেট লেটার’ নিয়ে মিছিল করলেন জুনিয়র ডাক্তাররা, স্মারকলিপি পেশ করলেন। সরকার দাবী মানতে নারাজ।লাগাতার ২৪ ঘন্টা, ছুটিবিহীন ডিউটির ফলে কর্মরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন জুনিয়র ডাক্তার পরেশ চৌধুরী। দায়িত্ব নিতে ও ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করল সরকার।১৯৮৩-র ২৩ মার্চ এবিজেডিএফ-এর কনভেনশন হল। দাবীর সমর্থনে আউটডোরগুলোতে প্রচার, লিফলেটিং করা হল। ৬৭ টা পথসভা করা হয়। আবার দাবীপত্র পেশ করা হয় সরকারের কাছে, সরকার নিরবিকার। হাসপাতালগুলোর সুপার ও প্রিন্সিপালদের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়, তাঁরাও নিরবিকার থাকেন।২২এপ্রিল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। তিনি আশ্বাস দেন যে সাতদিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এই আশ্বাসনের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত আউটডোর বয়কট প্রত্যাহার করা হয়। সাতদিন পরেও সরকার নীরব থাকে।৩মে সহস্রাধিক জুনিয়র ডাক্তার মিছিল করে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ডেপুটেশন দিতে যান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী পঞ্চায়েতের ব্যাপারে ব্যস্ত, তাই আলোচনার সময়ই পাননি।৯ থেকে ১৪ই বিভিন্ন হাসপাতালে পরযায়ক্রমে আউটডোর বয়কট করা হয়, ব্যাজ পরে দাবী দিবস উদযাপন করা হয়।৬ জুন বর্ধমান মেডিকাল কলেজের দুজন হাউসস্টাফকে মিথ্যা অভিযোগে অন্যায়ভাবে বরখাস্ত করা হয়।১৩জুন থেকে আউটডোর, ইনডোর বয়কট, দুদিন-ব্যাপী অনশন। সরকার নীরব। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হাসপাতালের গেটে-গেটে প্রচারে নামানো হয় সিপিআইএম-এর গণসংগঠনগুলোকে।১৫জুন আউটডোর, ইনডোর, ইমার্জেন্সি বয়কট করে হাসপাতালগুলোকে অচল করে দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। রোগীদের স্বার্থে হাসপাতালগুলোতে ইমার্জেন্সি স্কোয়াড চালু করা হল। পিজি হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা করার সময় আন্দোলন-বিরোধীদের হাতে আক্রান্ত হলেন অর্থোপেডিক্সের ভিজিটিং প্রফেসর, সরকারী ডাক্তারদের সংগঠন হেলথ সার্ভিস আসোশিয়েসনের রাজ্য সম্পাদক ডা অরুণ ব্যানার্জী, তাঁর দোষ তাঁর সংগঠন জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন করছিল। পুলিশের সামনে জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর আক্রমণ নামাল ডিওয়াইএফ ও কোঅর্ডিনেশন কমিটি।১৭জুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হল দাবীদাওয়া নিয়ে।৭ জুলাই সরকার জুনিয়র ডাক্তারদের ভাতাবৃদ্ধির ঘোষণা করল। জনস্বাস্থ্য-সম্পর্কিত দাবীগুলো সম্পর্কে সরকার নীরব থাকল।৮জুলাই সরকারী ‘ঘুষ’-এর প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল—মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হল।৯ থেকে ১৩জুলাই আউটডোর বয়কট করে জুনিয়র ডাক্তাররা প্যারালেল আউটডোর চালালেন। প্রস্তাব এল বাড়তি ভাতা রোগীদের স্বার্থে ব্যবহার করা হবে। হাসপাতালগুলোতে পালটা আঊটডোর চালানো কার্যত বিদ্রোহের ডাক দেওয়া- সাংবাদিকদের বললেন রাজ্যের ভূমি সদব্যবহার মন্ত্রী বিনয় চৌধুরী।৪ আগস্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা, দাবী মানতে নারাজ সরকার।৫থেকে ১২আগস্ট আবার কর্মবিরিতির পথে গেলেন জুনিয়র ডাক্তাররা।১৬ আগস্ট আমার ইন্টার্নশিপ শুরু, মেডিক্যাল ছাত্র থেকে জুনিয়র ডাক্তার হওয়া আমার এই আন্দোলনেরই সময়কালে।২৭আগস্ট হেলথ সার্ভিস আসোশিয়েসন, ইন্ডিয়ান মেডিকাল অ্যাসোসিয়েশন ও এবিজেডিএফ-এর যৌথ উদ্যোগে দাবীগুলোর সমর্থনে চিকিৎসকদের সম্মেলন। সরকার তবু নীরব।১৫ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর জনস্বার্থ-সম্পর্কিত দাবীগুলো নিয়ে পালাক্রমে আউটডোর বয়কট করা হল।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওরা আবার প্রত্যেকের চাকরির দাবী করছে। আমরা আগেই বলে দিয়েছি সবার চাকরির ব্যবস্থা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।– গণশক্তি, ২০।৯। ১৯৮৩জনস্বার্থবাহী আন্দোলন নিয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘আপনাদের থেকে জনস্বার্থ শিখব? আগে স্ট্রাইক তুলুন, দাবি নিয়ে পরে ভাবব। সীমা ছাড়াচ্ছেন, বিপদে পড়বেন।’

২১ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর চরমপত্র দিয়ে পূর্ণ-কর্মবিরতির পথে গেলাম আমরা। ডাক্তাররা।১ অক্টোবর সরকার ঘোষণা করল- ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কমপ্লিশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না, ভাতা আটকে দেওয়া হবে। ঘোষণার প্রতিবাদ করলেন এইচএসএ ও আইএমএ।

৪ অক্টোবর এস এস কে এম ও নীলরতন সরকার মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে সুপারিন্টেডেন্টের ঘরে অবস্থানরত জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর নির্মম লাঠিচার্জ পুলিশের। ন্যাশানাল মেডিকাল কলেজে হামলা চালায় কোঅর্ডিনেশন কমিটি। প্রতিবাদে ডাক্তারদের দৃপ্ত মিছিল মাঝরাতে কলকাতার রাজপথে।৫ অক্টোবর লাঠিচার্জের সমর্থনে সাফাই দিলেন মন্ত্রী। বিনয় চৌধুরী বললেন পুলিশ আত্মরক্ষার্থে লাঠি চালিয়েছে। ন্যাশানাল মেডিকাল কলেজে পুলিশ লাঠি চালিয়ে আহত করল ২৮ জনকে, গ্রেপ্তার হলেন ১৪ জন।

সহস্রাধিক জুনিয়র ডাক্তার-ছাত্র-নার্স-কর্মচারী বিক্ষোভে উত্তাল। রাত্রের সমস্ত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে রাজভবনের সামনে অবস্থান।৬ অক্টোবর এইচএসএ এবং আইএমএ-র কর্মবিরতি—১৮টা সরকারী হাসপাতালে ইনডোর বাদে সরবাত্মক কর্মবিরতি।৮অক্টোবর সরকার মিথ্যা প্রচার শুরু করল জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতিতে বি সি রায় শিশু হাসপাতালে শিশুরা মারা যাচ্ছে। হাসপাতালের সুপার জানালেন তাঁর হাসপাতালে ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে কোনো শিশুর মৃত্যু হয় নি। বাঙ্গুর হাসপাতালে সিপিআইএম-নেতৃত্বাধীন নাগরিক কমিটির হামলা।আইএমএ-র আহ্বানে হাজার হাজার মানুষ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের বিশাল মিছিল ও স্মারকলিপি পেশ।৯ অক্টোবর বিসি রায় শিশু হাসপাতাল ও বাঙ্গুরে সিপিআইএম ঠ্যাঙ্গাড়ে বাহিনীর আক্রমণ।১০ অক্টোবর এবিজেডিএফ-এর সভাপতির বাড়ি সিপিআইএম-এর নেতৃত্বে ঘেরাও।১১অক্টোবর আলোচনায় ডেকে এনে ডাক্তারদের প্রতি দুর্ব্যবহার করলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিবাদে দুই জুনিয়র ডাক্তার প্রতিনিধির কক্ষত্যাগ । অন্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী অনড়।১৩ অক্টোবর পিছু হটল সরকার। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হল। আরো কয়েকটা দাবী মেনে নিয়ে ধর্মঘট প্রত্যাহারের জন্য আবেদন জানাল সরকার।১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় আইএমএ ও এইচএসএ আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিল। রাতে এবিজেডিএফ কাজে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল, সেই সঙ্গে দাবী আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার নেওয়া হল।৪১ বছর আগের আন্দোলন,এদিকে সম্প্রতিতম ঘটনা কে কেন্দ্র করে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি পালন ও আন্দোলন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও তারা তাদের কর্মবিরতি ও আন্দোলন নিয়ে এই মুহুর্ত অবধি সচল।এখনো অবধি রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নমনীয়তার পরিচয় দিয়েছেন।তিনি বারংবার অনুরোধ করেছেন আলোচনার জন্য।প্রথম থেকেই তারা অনড়। এমনকি নবান্নে একজন ৬৯ বয়সী ভদ্রমহিলা কে টানা দুঘন্টা দশ মিনিট বসিয়ে রাখলেন, শুধুমাত্র লাইভ স্ট্রিমিং এর দোহাই দিয়ে।তিনি তবুও বললেন ওরা ছোট ওদের ক্ষমা করে দিলাম।

এরপরে প্রবল দুর্যোগে মুখ্যমন্ত্রী ছুটে গেলেন তাদের আন্দোলন স্থলে। বললেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়,দিদি হিসেবে এসেছেন। তাদের ছোট ভাই বোন বলে সম্বোধন করলেন।তিনি আবারও অনুরোধ করলেন আলোচনায়।সেই মতো তিনি সেদিন মুখ্যসচিব মাধ্যমে ইমেইল করে তার বাড়িতে আলোচনায় ডাকলেন।সেখানেও লাইভ স্ট্রিমিং নিয়ে কথা বললেন জুনিয়র ডাক্তার রা। মুখ্যমন্ত্রী টানা তিন ঘণ্টা বাড়ির দরজায় অপেক্ষা করেন,এসে বোঝান কেনো লাইভ স্ট্রিমিং হবেনা,কারণ সম্প্রতি ঘটনা এখনো বিচারাধীন সুপ্রিম কোর্টে,তিনি বলেন আলোচনার কার্যবিবরণী হবে,সেখানে দুপক্ষের স‌ই থাকবে।তবুও তারা অনড় থাকে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী দিদির মতো বলেন যে বৃষ্টিতে না ভিজতে,তার কাছে জামা কাপড় আছে, পোষাক পরিবর্তন করতে বলেন,আর আলোচনা না হোক সামান্য চা খেতে পারেন জুনিয়র ডাক্তার রা।তবুও তারা অনড় থাকলেন। অবশেষে আলোচনা ভেস্তে গেলো।পরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মুখোমুখি হতে, তিনি জানান তিনি ঘন্টার বেশি সময় অতিক্রান্ত,তাই আর আলোচনা সম্ভব নয়।পরে জুনিয়র ডাক্তার রা ঘাড় ধাক্কার তত্ব খাড়া করলেন। আবার পরের দিন সেই বাক্য সংশোধন করে নেন। মুখ্যমন্ত্রী তবুও ছিলেন সহনশীল।তারপরে সোমবার বহু প্রতিক্ষার পর আলোচনা হয়, কার্যবিবরণী তত্বের ভিত্তিতে।টানা তিন ঘন্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। তাদের দাবি ছিল পাঁচ দফা।প্রথম দাবি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন তাই কিছু করতে পারবে না বলে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়। দ্বিতীয় দাবি নগরপাল ও সহকারী নগরপাল (উত্তর)বদল, তৃতীয় দাবি স্বাস্থ্য সচিব বদল, চতুর্থ দাবি স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব ও স্বাস্থ্য অধিকর্তা বদল,পঞ্চম দাবি হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন।সবটা শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী,তিনটি দাবি মানলেন।পরে গভীর রাতে ৬৯ বয়সী ভদ্রমহিলা মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন করলেন।দাবি মতো কাজ করলেন তিনি নগরপাল ও সহকারী নগরপাল (উত্তর)বদল করলেন,শুধু তাই নয় বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনলেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিবর্তন আনলেন। জুনিয়র ডাক্তার রা আলোচনার পর বলেছিলেন,আগে তিন দাবি ফলপ্রসূ হোক,তবেই তারা কাজে যোগ দেবেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে,তিন দফা দাবি, কার্যবিবরণী তে সেই হিসেবে স‌ই আছে ৪০ জন প্রতিনিধি ও মুখ্যসচিবের,মানা হয়েছে। কিন্তু তবুও তারা অবিচল,এখনো চলছে কর্মবিরতি। মুখ্যমন্ত্রী এখনো অবধি নিজের সহনশীলতা দেখিয়ে চলছেন, এবং ঘোষণা করেছেন কারোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইচ্ছে করলে এসমা জারি করতে পারতেন।কারোর কিছু করার থাকতোনা।এসমা কি?অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা রক্ষণাবেক্ষণ আইন ( ESMA ) হল ভারতের সংসদের একটি আইন যা নির্দিষ্ট পরিষেবার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা বাধা দিলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে প্রভাবিত করবে।এর মধ্যে রয়েছে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট (বাস পরিষেবা) , স্বাস্থ্য পরিষেবা (ডাক্তার এবং হাসপাতাল)।ESMA হল ভারতের সংবিধানের 7 তম তফসিলের সমবর্তী তালিকার 33 নং তালিকার অধীনে ভারতের সংসদ কর্তৃক প্রণীত একটি আইন । তাই এটি সারা দেশে প্রয়োজনীয় পরিষেবার ন্যূনতম শর্ত প্রদান করে জাতীয় অভিন্নতা বজায় রাখে। নির্দিষ্ট অঞ্চলে যে কোনও লঙ্ঘনের জন্য, রাজ্য সরকারগুলি একা বা অন্যান্য রাজ্য সরকারের সাথে তাদের নিজ নিজ আইন প্রয়োগ করতে পারে। প্রতিটি রাজ্যের একটি পৃথক রাষ্ট্রীয় অপরিহার্য পরিষেবা রক্ষণাবেক্ষণ আইন রয়েছে যার বিধানগুলিতে কেন্দ্রীয় আইন থেকে সামান্য তারতম্য রয়েছে। সুতরাং,যদি ধর্মঘটের প্রকৃতি শুধুমাত্র একটি রাজ্য বা রাজ্যগুলিকে ব্যাহত করে, তবে রাজ্যগুলি এটি আহ্বান করতে পারে। জাতীয় স্কেলে, বিশেষ করে রেলপথে ব্যাঘাত ঘটলে, কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা ESMA 1968 আহ্বান করা যেতে পারে।এর আগে বেশ কিছু রাজ্যে এর নজির আছে, বিশেষতঃ যোগি আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সরকারের এর নজির আছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার হাতে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বাম জমানার মতো নয় মাস ধরে আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ,দলের সদস্যদের দিয়ে আড়ং ধোলাই দেওয়াননি, এমনকি বিজেপি সরকারের মতো এসমা জারি করেননি। পার্থক্য ছিল, পার্থক্য আছে,পার্থক্য থাকবে।

১৯৮৩ সালের ঘটনার তথ্য ঋণডাঃ পুণ্যব্রত গুন ও বর্তমান পত্রিকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *