লাল বাবা কলেজে হেনস্থা হাওড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক,দেড় মাস অতিক্রান্ত,উদাসীন সঞ্জয় কুমার ও শঙ্কর কুমার সান্যাল

সৌরভ সিংহ :- বালি বেলুড় লিটল ম্যাগাজিন সমন্বয় মঞ্চ ও লালবাবা কলেজ যৌথ উদ্যোগে গত ২৬-২৮ এপ্রিল তিনদিন ব্যাপী এই মেলায় হাওড়া প্রেস ক্লাব অংশগ্রহণ করে।প্রথমদিন সুন্দর ভাবে অতিবাহিত হলেও দ্বিতীয় দিন তার ছেদ কাটে। দ্বিতীয়দিন জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দরুণ মেলা ও অনুষ্ঠানাদি দেরীতে শুরু হয়। হাওড়া প্রেস ক্লাবের বর্তমান সহ সভাপতি তথা তৎকালীন কার্যকরী পরিষদের সদস্যা স্বপ্না দত্তের নিজস্ব সংস্থার হাওড়া সপ্তক অনুষ্ঠান করার কথা ছিল সন্ধ্যা সওয়া সাতটা,যা সময়ের দরুণ পিছিয়ে দেওয়া হয়।পরে যখন হাওড়া সপ্তক মঞ্চে উঠলে কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের নাটক মঞ্চস্থ প্রাধান্য দিতে অধ্যাপিকা ড.সোমা বিরুদ্ধাচরণ করতে থাকেন ও তিনি মেলার অন্যতম আয়োজক বিশ্বজিৎ সরকারকে হেনস্থা করতে থাকেন। বিশ্বজিৎ বাবুর একান্ত অনুরোধে হাওড়া সপ্তক তিনটের বদলে দুটো সঙ্গীত পরিবেশনে রাজি হন।তবুও অনুষ্ঠান চলাকালীন অসন্তোষ আচরণ করতে দ্বিধা করেন নি ড.সোমা।এহেন অবস্থায় হাওড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার পালের সাথে বাক্য বিনিময় হয়। সুজিত বাবু বলেন,এহেন আচরণ সংবাদে প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন। প্রত্যুত্তরে ড.সোমা জানান, তিনি যদি সংবাদ প্রকাশ করেন,তাহলে দেখিয়ে দেবেন।
তারপর ড.সোমার পরামর্শে ছাত্র ছাত্রীরা নাটক মঞ্চস্থ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।এই অবধি বিষয়টি ঠিক থাকলেও পরক্ষণেই ড.সোমার উস্কানিতে মুহূর্তের মধ্যে সুজিত কুমার পাল ও হাওড়া প্রেস ক্লাবের অন্যতম সদস্য সঞ্জীব ছাউলে কে ছাত্র ছাত্রীরা ঘেরাও করেন ও তার মধ্যে গিটার হাতে এক ছাত্র তাদের আক্রমণাত্মক ভঙ্গীতে তেড়ে আসেন।পরে বিশ্বজিৎ বাবু ও অন্যান্য দের তত্বাবধানে ঘেরাও মুক্ত হলেও, কিন্তু ড.সোমার তত্বাবধানে ওই ছাত্র ছাত্রীদের দল কলেজের বাইরে গেটে দাঁড়িয়ে নানা রকম হুমকি দিতে থাকে।কোনোমতে সুজিত কুমার পাল, সঞ্জীব ছাউলে ও স্বপ্না দত্ত ও হাওড়া সপ্তক কলেজ ত্যাগ করেন।
গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের সাথে এহেন আচরণের জন্য হাওড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি শৈলেশ্বর পান্ডা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ড.সঞ্জয় কুমার এবং সর্বভারতীয় হরিজন সেবক সংঘের সভাপতি,যিনি সম্প্রতি রোটারী ক্লাব হাওড়ার সভাপতি হতে যাচ্ছেন ড.শঙ্কর কুমার সান্যাল কে চিঠি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য দেড় মাস অতিক্রান্ত হতে চলেছে তাদের তরফ থেকে কোনো প্রকার সাড়া পাওয়া যায় নি।তাদের উদাসীনতা রীতিমতো হতাশাজনক।অবাক লাগে শঙ্কর কুমার সান্যাল যার আহ্বানে প্রতি মুহূর্তে সব কাজে হাওড়া প্রেস ক্লাব তার সাথী হয়, কিন্তু অজানা কারণে তিনি সম্পূর্ণ নিশ্চুপ।হয় তিনি খুব ব্যস্ত রোটারীর দায়িত্ব পাচ্ছেন বলে,নতুবা কাউকে আড়াল করার জন্য কলেজের অধ্যক্ষ ও পৃষ্ঠপোষক শঙ্কর কুমার সান্যাল উদাসীনতা দেখাচ্ছেন।এখন দেখার কতদূরের জল কতদূর গড়ায়।তবে হাওড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জানান তিনি বিষয়টির শেষ দেখে ছাড়বেন।
এই বাংলা 24 সিদ্ধান্ত নিয়েছে যতদিন এর বিচার হবে ততদিন প্রতি সপ্তাহে এরকম লেখা চলবে।
