একটা বড় অংশের নেতা-কর্মীদের ‘দোষ’ খুঁজে পেয়েছেন অভিষেক, করলেন হুংকার

এই বাংলা 24:-একুশের মঞ্চ থেকে রীতিমত হুংকার দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।কেনো তিনি দেড় মাস দলের কর্মসূচি তে ছিলেন না তাও জানালেন তিনি।“যাঁরা ভাবছেন আমরা আমাদের নির্বাচনে কাজ করব, বাকি নির্বাচনে পার্টি বুঝে নেবে তাঁদের বলব একটাই কথা। এই যে এক দেড় মাস আমাকে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আমাকে দেখেননি। কারণ আমি পর্যালোচনার কাজে ব্যস্ত ছিলাম। এর ফল আপনারা দেখবেন।” একটা বড় অংশের নেতা-কর্মীদের ‘দোষ’ খুঁজে পেয়েছেন অভিষেক। এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের। সে কারণেই খুব সম্ভবত অভিষেক বলছেন, “যাঁরা, এই নির্বাচনে পঞ্চায়েত বা কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান থেকেও মানুষকে বোঝাতে সফল হননি। আমরা সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। কাউকে রেয়াত করা হবে না। আমি যে কথাগুলো বললাম, গ্রামে ফিরে সবাইকে বলবেন।” অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, “আমাদের ছাব্বিশের জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। পুরসভায় যাঁরা দায়িত্বে আছেন, পঞ্চায়েতে যাঁরা দায়িত্বে আছেন তাঁদের কর্মীদের কথা ভাবতে হবে। নিজের কথা ভাবলে চলবে না। আমি আপনাদের বলছি বিভিন্ন জায়গায় পর্যালোচনা বৈঠক করতে গিয়েছি। আমি বলেছি দল কিন্তু ফলের পর কার কী ভূমিকা ছিল সেটা খতিয়ে দেখবে।” এরপরই দলের একাংশের নেতা-কর্মীদের উপর খানিক ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিষেক বলেন, “পুরসভা নির্বাচনে আমি টিকিট পাব। আমার ওয়ার্ড থেকে আমি জিতব। আর লোকসভা, বিধানসভায় দল আশানরূপ ফল করবে না! তাহলে দল আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সে আপনি যত বড় নেতার ছত্রছায়াতেই থাকুন না কেন! পঞ্চায়েতে আপনি টিকিট পাবেন।” এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, “আপনি পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ প্রধান হবে। আর বিধানসভা, লোকসভা নির্বাচনে ভাববেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন, একটা মিটিং করবে। প্রার্থী জিতবে! গায়ে-গতরে আপনি যে পরিশ্রম আপনার নির্বাচনে করেন সেটা প্রতিটা নির্বাচনে করতে হবে। কারণ এটা শুধু তৃণমূলের সৈনিক বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই নয়। এটা বাংলার ১০ কোটি মানুষের সম্মানের লড়াই।”
