বেলগাছিয়া ভাগাড় পরিদর্শনে হাওড়া পৌর নিগমের মুখ্য প্রশাসক

এই বাংলা 24:-বেলগাছিয়া ভাগাড় নিয়ে সমস্যা দীর্ঘদিনের, হাওড়া শহরের একমাত্র ভাগাড়ে বছরের পর বছর সব আবর্জনা পড়ে সেখানে দু’-তিনটি জঞ্জালের পাহাড় তৈরি হয়েছে। গতবছর বিপজ্জনক ওই পাহাড় কেটে বায়ো মাইনিং পদ্ধতিতে জঞ্জাল অপসারণের কাজ শুরু করেছিল কেএমডিএ। ওই ভাগাড়ের মধ্যে দিয়েই গিয়েছে একটি ১০ ফুট চওড়া নিকাশি নালা।ওই নালার মাধ্যমে শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র ও উত্তর হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত নর্দমার জল গঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত শহরের অন্যতম বড় নিকাশি খাল,পচাখালে গিয়ে পড়ে। অর্থাৎ, বৃষ্টি হলে শহরের জমা জলের অনেকটাই ওই খাল দিয়ে গঙ্গায় গিয়ে পড়ে। কিন্তু গতবছর ধসের জেরে ভাগাড়ের নিকাশি নালাটির প্রায় ১০০ ফুট অংশ অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে।হাওড়া পৌর নিগমের তরফ থেকে ওই ধস পরিষ্কার করার চেষ্টা হয় যাতে দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রের নিকাশির জল বেরোতে পারে। ইতিমধ্যে আবহাওয়া অফিস থেকে জানাচ্ছে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি, এদিকে হাওড়ার অধিকাংশ এলাকা বিশেষ করে উত্তর হাওড়া ও শিবপুর এমনি বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়ে যায়,তারওপর নিম্নচাপের জেরে বানভাসি পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তাই গতকাল বেলগাছিয়া ভাগাড়ে স্তুপীকৃত জঞ্জাল অপসারণ ও রাস্তা নির্মানের কর্মযজ্ঞ সরেজমিনে খতিয়ে দেখলেন হাওড়া পৌর নিগমের প্রশাসকমন্ডলীর মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী, সাথে ছিলেন প্রশাসকমন্ডলীর সদস্য রাইচরণ মান্না এবং আধিকারিক সহ কর্মচারীগণ।মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তীর বক্তব্য যে মুখ্যমন্ত্রীর তত্বাবধানে এই প্রশাসনিক বোর্ড সচেষ্ট মানুষের পাশে থাকার।আর সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হাওড়ার জমা জল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন,তাই তার নির্দেশে ও তত্বাবধানে পৌর নিগম প্রাণপণ সচেষ্ট যে যাতে জমা জল দ্রুত নেমে যায় মানুষ যেনো স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ ফিরে পায়।
