কলকাতাজেলারাজনীতিরাজ্যহাওড়া

শেষ পর্যন্ত তোমাকে চাই…

সৌরভ সিংহ :-জনগণের নেতা,একটা নেতা হিসাবে জনগণের জন্য প্রধান কর্তব্য হলো সব সময় জনগণের বিপদে আপদে পাশে থাকা।জনগণকে বিপদে সাহায্য করা ।ভালো কাজের জন্য জনগণের কাছ থেকে সম্মান ও বিশ্বাস অর্জন করা।নেতা তো অনেকেই হয়।কিন্তু নেতার মতো নেতা হতে গেলে অনেক কিছু ত্যাগ করতে হয়।একদিনে কেও নেতা হয় না।এর জন্য বছরের পর বছর সময় দিতে হয়।গ্রাসরুট থেকে আপার লেভেল পর্যন্ত নিজেকে পরিচিতি পেতে হয়।রাজনীতিতে যদি কামানোর জন্য এবং স্বজন পোষণের জন্য আসেন তাহলে জনগণ ছুঁড়ে ফেলে দেবে।এখনকার জনগণ অনেক রাজনীতি সচেতন।নেতা মানেই হলো জনগণ ও দেশের সেবা করা।উত্তর হাওড়া বিধানসভায় ১৯৫২ সাল থেকে বহু জন বিধায়ক হয়েছেন কিন্তু কেউ জননেতা হয়ে উঠতে পারেননি।এই বিধানসভা থেকে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ও পরবর্তী কালে বিধানসভার অধ্যক্ষ হয়, এমনকি পরবর্তীকালে দু দফা এই বিধানসভা মন্ত্রীত্ব পায়, কিন্তু জননেতা হ‌ওয়া সুনাম কেউ আজ পর্যন্ত পাননি।

যেটা পাচ্ছেন বর্তমান বিধায়ক গৌতম চৌধুরী। তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন এবং তাদের পাশে থাকেন।জনগণের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হন।তাদের জন্য কাজ করেন এবং তাদের উন্নতিতে সহায়তা করেন।তাই তাদের আশা-ভরসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন।বিগত চার বছর ধরে লড়াই করে যাচ্ছেন জল সমস্যা সমাধানের,কিছুটা সচেষ্ট হতে পেরেছেন, কিন্তু লড়াই করে যাচ্ছেন।তিনি জনগণের পাশে গিয়ে তাদের আশা ভরসা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন।তিনি একমাত্র বিধায়ক যিনি যেখানে জল জমে, সেখানে রাস্তার বিদ্যুৎ বন্ধ করার আহ্বান জানান, যাতে কোনো দূর্ঘটনা না ঘটে।তিনি সম্প্রতি দিন রাত এক করেছিলেন যখন পানীয় জলের লাইন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছিল,সেটা মেরামতের জন্য দিন রাত ওখানেই থেকে কাজ করিয়েছিলেন, এমনকি বেলগাছিয়া ভাগাড়ের ধস নামার সময় যেভাবে নিজের জীবনের বাজি রেখে মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছিলেন।এরকম বহু উদাহরণ আছে।ভারী গাড়ি চলার কারনে ও জল জমে নস্কর‌পাড়া রোড দীর্ঘ বারো বছর খানাখন্দ হয়ে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছিল। রাস্তার ওপরেই রয়েছে হনুমান জুটমিল হিন্দি হাইস্কুল।ছাত্রছাত্রীদেরও হাঁটাচলায় অসুবিধা হচ্ছিল। এমনকি ঘটে চলেছিল বহু ছোটখাটো দূর্ঘটনা,কখনো টোটো উল্টে,কখনো যান চলাচল বিঘ্ন। বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঐকান্তিক উদ্যোগে নস্কর পাড়া রোড সম্পূর্ণ নতুন ভাবে তৈরী করা হলো।নতুন রাস্তা পেয়ে স্থানীয় অধিবাসী তথা স্কুল ছাত্র ছাত্রীরা উচ্ছ্বস্বিত ও আনন্দিত। আজ স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা সুশৃঙ্খল ভাবে বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।সামনে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন,এখন‌ই উত্তর হাওড়ার আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হচ্ছে “প্রথমত আমি তোমাকে চাই /দ্বিতীয়ত আমি তোমাকে চাই /তৃতীয়ত আমি তোমাকে চাই/ শেষ পর্যন্ত তোমাকে চাই…”

চিত্র সৌজন্য :-সরিৎ পাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *