মানুষের পাশে দাঁড়াতে দিনরাত এক করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী

এই বাংলা 24:-জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর!” মহাবিশ্বে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে সবই স্রষ্টার সৃষ্টি। স্রষ্টার সৃষ্টির মধ্যে মনুষই সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। পরম ভালোবাসায় তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে। স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন মানবীয় গুণাবলি দিয়ে, জ্ঞান, বিবেক ও বুদ্ধি দিয়ে। যে কারণে জীবজগতের মধ্যে মানুষই শ্রেষ্ঠ জীব। কাজেই সেরা হিসেবে মানুষের প্রতি যেমন মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে, তাঁর মহাশক্তির অন্ততঃ কিঞ্চিৎ ক্ষুদ্রাংশ শক্তি তাঁর সৃষ্ট প্রত্যেক জীবের মধ্যেই বিরাজমান। অর্থাৎ জীবজগতের সবকিছুর মধ্যেই তাঁর শক্তির এবং তাঁর অস্তিত্বের উপস্থিতি রয়েছে। কাজেই প্রত্যেক জীবের প্রতি দয়া পদর্শন করা আমাদের প্রত্যেকেরই পরম কর্তব্য। কেননা জীবসেবা করলেই প্রকারান্তরে স্রষ্টার সেবা করা হয়। প্রত্যেক জীবের প্রতি যত্নবান হলে এবং তাদের ভালোবাসলে, তবেই সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করা হয়। বিভিন্ন সমাজের মানুষ বিভিন্নভাবে স্রষ্টার আরাধনা করে থাকে। আরাধনার পদ্ধতিতে যথেষ্ট ব্যবধানও দেখা যায়। যদিও তার উদ্দেশ্য কিন্তু এক এবং অভিন্ন এবং তা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তাকে সন্তষ্ট করা। পৃথিবীতে বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন মহান মনিষীর আবির্ভাব ঘটেছে। বিভিন্ন ধর্মের অবতারণা হয়েছে এবং আরাধনার বিভিন্ন প্রকৃতি ও পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। স্রষ্টার সান্নিধ্য পাওয়া বা স্রষ্টার সন্তুষ্টি বিধানই কিন্তু সবার একমাত্র উদ্দেশ্য। যে ব্যক্তি প্রতিনিয়ত আর্তক্লিষ্ট ও নিপীড়িত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সক্ষম হয়েছেন, তিনিই প্রকৃতপক্ষে স্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ উপাসক ও সাধক।

তেমনি এক মানুষ উত্তর হাওড়ার বুকে রয়েছেন,যার পোষাকি নাম শমিত ঘোষ,লোকে তাকে হোল্ডার দা, হোল্ডার কাকা বলে ডাকে।এলাকার বিধায়ক গৌতম চৌধুরী যেমন জনমুখী কর্মকাণ্ড করে চলেছেন, মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন,বিশেষ করে জমা জল নিয়ে,নর্দমা পরিষ্কার নিয়ে,তেমনি উত্তর হাওড়ার ছয় নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী হোল্ডার দা,দিনরাত এক করে নর্দমা পরিষ্কার করতে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।কারণ উত্তর হাওড়ার ছয় ও সাত নম্বর ওয়ার্ডে বেশি জল দাঁড়ায়। মানুষের অপবুদ্ধির জন্য বিশেষ প্লাস্টিক,বোতল,কম্বল বালিশ নর্দমায় ফেলার জন্য কখনো কখনো এই দুটো ওয়ার্ডে কোমর ছাড়িয়ে জল জমে।তাই বিধায়কের নির্দেশ মেনে তিনি দিন রাত এক করে নর্দমা পরিষ্কারে লেগে রয়েছেন।কারণ নর্দমা পরিষ্কার হলেও আবার মানুষের অপবুদ্ধিতে তা পুনরায় অপরিষ্কার হয়ে উঠছে। এমনকি ভরা বৃষ্টির মাথায় নিয়ে যখন দেখছেন কোনো পরিষ্কার করার কর্মী নেই,তখন রাত সাড়ে দশটা,তখন নিজে নর্দমার কালভার্টের মুখ পরিষ্কার করে দিচ্ছেন যাতে স্থানীয় মানুষের অসুবিধা না হয়।
বিজেপি বা বামফ্রন্টের কোনো কর্মী এইসময় রাস্তায় নেই।হোল্ডার দার মতো বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিভিন্ন কর্মী এইভাবে মানুষের পাশে থাকছেন বিধায়কের নির্দেশ মেনে।আজ যারা দূর্নীতি নিয়ে মুখর কিছু সংশ্লিষ্ট মানুষের জন্য,তারা কখনো এইসব তৃণমূল কর্মীদের কথা বলেন না,যারা হোল্ডার দার মতো দিনরাত এক করে মানুষের পাশে থাকছেন।
